• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা মামলার রায় জুনে

bd-indiaঢাকা: বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায় আগামী জুন মাসে ঘোষিত হবে। এই রায়ের মাধ্যমে দুই দেশের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হবে। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এতথ্য জানান।

আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমুদ্রসীমা নির্ধারণে আলোচনা হলেও কোন অগ্রগতি না হওয়ায় ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা আইন-১৯৮২ এর অধীনে ভারতকে আরবিটেশনের নোটিশ দেওয়া হয়। আরবিটেশনে ২০১১ সালের ৩১ মে বাংলাদেশ স্মারকনামা পেশ করে। ভারত প্রতিস্মারকনামা পেশ করে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই। বাংলাদেশ ভারতের সম্পুরক স্মারকনামার লিখিত জবাব দেয় ২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারি। ভারত ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই প্রত্যুত্তর দেয়। আর্জি প্রদান শেষ হওয়ার পর গত ৯ থেকে ১৮ ডিসেম্বর মৌখিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

একই সদস্যের সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। আমরা আশা করছি, এই ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা আমরা পাবো।

আওয়ামী লীগের ধীরেদ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গভীর সমুদ্রের মাছসহ সম্পদ আহরণের অভিজ্ঞতা আমাদের নেই। তবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এজন্য জাহাজ কিনছে। ওই মন্ত্রণালয় এবিষয়ে পদক্ষেপ নেবে।

সরকারি দলের সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে শাহরিয়ার আলম বলেন, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকরসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের ফলে বহির্বিশ্বে তেমন নেতিবাচক প্রভাব পরেনি। ওই ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর ২০১৩ সালে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে ও পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে প্রস্তাব গৃহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে যথোপোযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি আরো জানান, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনার আফ্রাসিয়াব মেহেদি হাশমিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ হতে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ